Homeবাণিজ্যমধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে আতঙ্কের কারণ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে আতঙ্কের কারণ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

Published on

Latest articles

যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেকর্ড ১১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র প্যাকেজ পাচ্ছে তাইওয়ান

তাইওয়ানের সঙ্গে রেকর্ড ১১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির জন্য...

ছেলেদের পর এবার ভারত-বাংলাদেশের মেয়েদের সিরিজও স্থগিত হচ্ছে!

চলতি বছর ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের বাংলাদেশে সফর করার কথা থাকলেও তা স্থগিত হয়ে...

মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতকে ঘিরে দেশের বাজারে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

আজ রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: ভোগ্যপণ্য সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি–সংক্রান্ত পর্যালোচনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে মন্ত্রী খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে বিভিন্ন পণ্যের সরবরাহ ও দামের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাজারে যে পণ্য সরবরাহ রয়েছে, তার অধিকাংশই যুদ্ধ শুরুর আগে দেশে এসেছে। সরকারের কাছেও পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠা-নামা হলে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগত ব্যবস্থা নেবে, যেন ভোক্তাদের ওপর চাপ কম পড়ে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখনো অনেক ক্ষেত্রে আমদানিনির্ভর দেশ। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি কিংবা পরিবহন ব্যয় বাড়লে তার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়া স্বাভাবিক। তবে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা বা বাজার নিয়ন্ত্রণজনিত কোনো কারণে যেন পণ্যের দাম অযৌক্তিকভাবে না বাড়ে, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে অনেক পণ্যের ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য দামের ব্যবধান দেখা যায়। এই ব্যবধানের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, প্রশাসনের সদস্য ও প্রয়োজনে অন্য পেশাজীবীদের সমন্বয়ে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে।

ভোজ্যতেলের বাজার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাজারে তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। কোথাও কোথাও খুচরা পর্যায়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হতে পারে, তবে সেটি সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির প্রতিফলন নয়।

আজ বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমদানিকৃত পণ্যের পরীক্ষার জন্য বন্দরে আধুনিক ল্যাব স্থাপন এবং নতুন স্ক্যানার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে পড়ে থাকা প্রায় ১০ হাজার পণ্যভর্তি নিলাম যোগ্য কনটেইনার ও আমদানিকৃত গাড়িসহ বিভিন্ন জটিল সমস্যা সমাধানে একটি ফ্যাক্ট–ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত এই কমিটিতে বন্দর চেয়ারম্যান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রয়োজনে অর্থমন্ত্রীর পরামর্শও নেওয়া হবে।

ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বন্দর ও কাস্টমস-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনার পর তিনি এসব উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। সভায় চট্টগ্রামের পাইকারি ব্যবসায়ী নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

More like this

যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেকর্ড ১১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র প্যাকেজ পাচ্ছে তাইওয়ান

তাইওয়ানের সঙ্গে রেকর্ড ১১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির জন্য...

ছেলেদের পর এবার ভারত-বাংলাদেশের মেয়েদের সিরিজও স্থগিত হচ্ছে!

চলতি বছর ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের বাংলাদেশে সফর করার কথা থাকলেও তা স্থগিত হয়ে...

বিএনপি সাড়া দেয়নি, আলোচনায় ডাকলে জামায়াত সবার আগে যাবে: হামিদুর রহমান

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে বিএনপিকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি...