আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলার মার্জিন ন্যূনতম পর্যায়ে রাখতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
স্থানীয় বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং স্থিতিশীল মূল্য ধরে রাখতেই এ নির্দেশনা নেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, এলসি মার্জিন শিথিলের এ সুবিধা আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
এ সুবিধার আওতায় চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর আমদানি করা যাবে, যেগুলোর চাহিদা রমজানে বাড়ে।
নির্দেশনায় বলা হয়, এখন থেকে ব্যাংক–গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলো নিজ বিবেচনায় এলসি মার্জিন নির্ধারণ করতে পারবে, কোনো নির্দিষ্ট হার বজায় রাখার বাধ্যবাধকতা থাকছে না।
এর আগে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছু পণ্য আমদানিতে ১০০ শতাংশ এলসি মার্জিন বাধ্যতামূলক করেছিল।
পরে, রমজানকে ঘিরে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির সুবিধা দিতে ২০২৪ সালের নভেম্বরে এ মার্জিন সাময়িকভাবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত শিথিলের অনুমতি দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এলসি মার্জিন শিথিলের উদ্দেশ্য হলো জরুরি পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা।
