Homeবাংলাদেশজামায়াতে ইসলামী দেশকে অস্থিতিশীল অবস্থার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

জামায়াতে ইসলামী দেশকে অস্থিতিশীল অবস্থার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

Published on

Latest articles

এপ্রিলে রপ্তানি আয় ৩৩ শতাংশ বেড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার

দীর্ঘ ৮ মাস পতনের পর এপ্রিল মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ।রপ্তানি উন্নয়ন...

ভালোবাসা দিবসে কানাডায় একক কনসার্টে কুমার বিশ্বজিৎ

২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের একমাত্র...

বিভিন্ন অজুহাত তুলে জামায়াতে ইসলামী দেশকে একটি অস্থিতিশীল অবস্থার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ সোমবার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বরদ্বেশ্বরী বাজার ও রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পৃথক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, একটি দেশ তখনই উন্নয়নের শিখরে যেতে পারে, যখন জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়। যখন জনগণ চায় আমরা উন্নতি করব। জনগণের মধ্যে সারাক্ষণ দ্বন্দ্ব-বিবাদ, ফিতনা, ঝগড়া-ঝাটি যদি থাকে, তাহলে কি উন্নতি হতে পারে?

যখন গণঅভ্যুত্থান হলো, তখন ভেবেছিলাম এবার আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারবো। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা দেখলাম কিছু কিছু দল বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, আজকে জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন অজুহাত তুলে দেশকে একটা অস্থিতিশীল অবস্থার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি, যোগ করেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, সমস্যা তৈরি করে গণতন্ত্রকে ব্যাহত করার চেষ্টা, নির্বাচনকে ব্যাহত করার চেষ্টা জনগণ কোনোভাবেই বরদাস্ত করবে না।’

তিনি আরও বলেন, ১৫ বছর আমরা ভোট দিতে পারিনি। ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। যেভাবে দেশের উন্নতি হয়, আমরা সেভাবে ভোট দেবো। আমরা যদি সরকারে যেতে পারি, তাহলে কৃষক ভাইদের যে সমস্যাগুলো আছে—বীজের সমস্যা, সারের সমস্যা, পানির সমস্যা, এগুলোর সমাধান করব। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করব।

রুহিয়া থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হবে ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, রুহিয়া থানা হয়েছে, কিন্তু উপজেলা হয়নি। আমরা যদি ক্ষমতায় যেতে পারি, তাহলে আমাদের প্রথম কাজ হবে রুহিয়াকে উপজেলায় উন্নীত করা।

কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি রাজনৈতিক দল, যাকে দেশের মানুষ কোনোদিনই সঠিক পথে পায়নি। যখন দেশের সব মানুষ পাকিস্তানের পক্ষে আন্দোলন করেছে, তখন তারা পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছে। আবার ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলো, তখন তারা মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেনি, পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সঙ্গেই ছিল। এই যাদের কাজ, যারা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর পক্ষে কখনোই থাকেনি, তাদের কি আমরা সমর্থন করতে পারি?

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি আপনাদের একটু আশ্বাস দিতে পারি যে, আপনারা কেউ হতাশ হবেন না। ধানের শীষ আপনাদের পাশে আছে। আমরা আপনাদের পাশে আছি। আমরা বেঁচে থাকতে আপনাদের কেউ ফুলের টোকাও দিতে পারবে না।

More like this

এপ্রিলে রপ্তানি আয় ৩৩ শতাংশ বেড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার

দীর্ঘ ৮ মাস পতনের পর এপ্রিল মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ।রপ্তানি উন্নয়ন...

ভালোবাসা দিবসে কানাডায় একক কনসার্টে কুমার বিশ্বজিৎ

২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের একমাত্র...

‘বরফ যুগে’ ঢুকছে সৌদি আরব, কাতার?

সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোয় দেখা গেল—বিস্তীর্ণ উঁচুনিচু এলাকাজুড়ে সাদা আস্তরণ। আসলে ওগুলো বরফ। কোথাও...