Homeবিনোদনআনন্দের জন্যই লিখি: আবুল হায়াত

আনন্দের জন্যই লিখি: আবুল হায়াত

Published on

Latest articles

৯০৯ দিন পর ক্যাম্প ন্যুতে ফেরা বার্সেলোনার গোল উৎসব

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৯০৯ দিন পর ক্যাম্প ন্যুতে ফিরল বার্সেলোনা। চেনা আঙিনায় আবার...

ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে বাসে আগুন

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল...

৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি টেলিভিশন নাটক ও সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের মুগ্ধ করে আসছেন। তিনি একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা আবুল হায়াত। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি নাট্যকার ও নাট্যপরিচালকও। তবে এর বাইরে তার আরেকটি পরিচয় আছে—তিনি একজন লেখক।

দীর্ঘদিন ধরেই লেখালেখি করছেন আবুল হায়াত। গল্প, উপন্যাস ও কলাম লেখেন তিনি। ইতিমধ্যে তার বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। আগামী একুশে বইমেলায় তার তিনটি বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।

লেখালেখি শুরুর গল্প জানতে চাইলে আবুল হায়াত বলেন, ‘তখন আমি বুয়েটে পড়ি। শেরেবাংলা হলের জেনারেল সেক্রেটারি ছিলাম। একটি ম্যাগাজিন প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হলো, কিন্তু কেউ লেখা দিচ্ছিল না। আমাকে গল্প দিতে বলা হলো। মুশকিলে পড়লাম, কারণ আগে কখনো লিখিনি।’

তিনি বলেন, ‘এরপর একটি প্রেমের গল্প লিখলাম। পরে বলা হলো লেখা কম পড়েছে, আরও একটি লেখা দিতে হবে। তখন একটি ভ্রমণ কাহিনি দিলাম। এভাবে দুটো লেখা পাঠকের কাছে পৌঁছায়।’

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের হলে আগুন দিলে অনেক কিছুর সঙ্গে সেই ম্যাগাজিনও পুড়ে যায় বলে জানান আবুল হায়াত।

লেখালেখির ক্ষেত্রে দৈনিক পত্রিকা ও পাক্ষিক ম্যাগাজিন তাকে বেশ সহযোগিতা করেছে। তিনি বলেন, ‘জনপ্রিয় ম্যাগাজিন তারকালোকের সম্পাদক আরেফিন বাদলের অনুরোধে “জীবন খাতার ফুটনোট” লিখতে শুরু করি, যা পাঠকদের কাছে বেশ সাড়া ফেলেছিল। এরপর অরুণ চৌধুরীর অনুরোধে বিচিত্রায় লেখা শুরু করি। আরও অনেক পরে প্রথম আলো পত্রিকায় “এসো নীপবনে” নামে অনেক বছর কলাম লিখেছি।’

আবুল হায়াতের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম ‘তৃষ্ণার শাস্তি’ এবং দ্বিতীয়টি গল্পের বই ‘অচেনা তারা’।

তিনি বলেন, ‘আনন্দ পাওয়া থেকে লেখালেখি করি। আনন্দের জন্যই লিখি। লিখতে ভালো লাগে। তবে ছোটবেলা থেকে গল্প-উপন্যাসের বই পড়ার নেশা ছিল, যা এখনো আছে।’

স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, ‘স্বপন কুমারের গোয়েন্দা বই দিয়ে পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে, যা ছয় আনা দিয়ে কিনেছিলাম। এরপর শরৎচন্দ্রের বই পড়া শুরু করি। মেট্রিক পর্যন্ত শরৎচন্দ্রের বই খুব টানত। পরে বনফুল, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ ও তারাশঙ্কর আমাকে খুব পেয়ে বসে। বিভূতিভূষণের “পথের পাঁচালী” খুব ভালো লেগেছিল। তার “আম আঁটির ভেঁপু” পড়ে কেঁদেছিলাম। দুর্গার মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি।’

আগামী একুশে বইমেলায় আবুল হায়াতের তিনটি বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এগুলো হলো—’এলোমেলো ভাবনায় আশিতে আসিলাম’, ‘ঘোর’ এবং প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন ও তার যৌথ বই ‘যুগলবন্দি’।

More like this

৯০৯ দিন পর ক্যাম্প ন্যুতে ফেরা বার্সেলোনার গোল উৎসব

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৯০৯ দিন পর ক্যাম্প ন্যুতে ফিরল বার্সেলোনা। চেনা আঙিনায় আবার...

ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে বাসে আগুন

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল...

১ লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার, মে মাসে তেলের দাম অপরিবর্তিত

ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশে জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণের...