Homeবিনোদননিরহংকার নায়ক ছিলেন জাভেদ: রোজিনা

নিরহংকার নায়ক ছিলেন জাভেদ: রোজিনা

Published on

Latest articles

সৌদিতে ৩৬৫ দিনে ৩৫৬ জনের ফাঁসি

সৌদি কর্তৃপক্ষ গত বছর ৩৫৬ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে।...

৯০৯ দিন পর ক্যাম্প ন্যুতে ফেরা বার্সেলোনার গোল উৎসব

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৯০৯ দিন পর ক্যাম্প ন্যুতে ফিরল বার্সেলোনা। চেনা আঙিনায় আবার...

নায়ক ইলিয়াস জাভেদ ও নায়িকা রোজিনা অনেকগুলো সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তাদের অভিনীত সিনেমাগুলো দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। সদ্য প্রয়াত এই নায়ককে নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে কথা বলেছেন রোজিনা।

রোজিনা বলেন, ইলিয়াস জাভেদ ভাইয়ের সাথে প্রথম পরিচয় এফডিসিতে। তাকে প্রথম পেয়েছি আমার সিনেমার ডান্স ডিরেক্টর  হিসেবে। তিনি যখন তুমুল জনপ্রিয় নায়ক, তখন আমি নতুন নায়িকা। সেই সময়ে তাকে পেয়েছি এবং তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। নতুন হলেও সবরকম সহযোগিতা পেয়েছি তার কাছ থেকে।

রোজিনা আরও বলেন,একসময় এক এক করে অনেক নায়কের বিপরীতে সিনেমা করতে শুরু করি। সেই ধারাবাহিকতায় জাভেদ ভাইয়ের বিপরীতেও কাজ করি। অনেকগুলো সিনেমা করেছি তার সঙ্গে। অনেক স্মৃতি আছে। সব স্মৃতি মনে পড়ছে।

তিনি বলেন, অনেক বড় নায়ক এবং অনেক বড় শিল্পী হওয়ার পরও তার মাঝে কখনো তারকাসুলভ কিছু দেখিনি। ছোট-বড় সবার সঙ্গে মিশতেন, ভালো ব্যবহার করতেন। সম্মান করতেন মানুষকে। কোনো অহংকার দেখিনি। বড় মনের মানুষ ছিলেন। সরল ও ভালো মানুষ ছিলেন। খুব হাসি-খুশি মানুষ ছিলেন।

রোজিনা বলেন, তার সঙ্গে সামাজিক সিনেমা যেমন করেছি, পোশাকি সিনেমাও করেছি। সব ধরনের সিনেমায় তিনি মানিয়ে যেতেন। ক্যামেরার সামনে অন্য মানুষ হয়ে যেতেন। বড় কথা হলো, সিনেমা ভালোবাসতেন, অভিনয় ভালোবাসতেন, নাচ ভালোবাসতেন।  পরিপূর্ণ  শিল্পী ছিলেন তিনি।

ইলিয়াস জাভেদের বাঙালি সংস্কৃতিপ্রেম নিয়ে তিনি বলেন, অন্য দেশের মানুষ হয়েও এদেশে থেকে যান এবং বাংলাদেশকে ভালোবাসেন। এদেশের সংস্কৃতিকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন। তার চলাফেরায় ছিল বাঙালিয়ানা। এসব দেখে ভালো লাগত।

এক প্রশ্নের জবাবে রোজিনা বলেন, অনেক দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন জাভেদ ভাই। খোঁজ-খবর নিতাম। সব সময় ফোনে পেতাম না। তার স্ত্রী ফোন ধরতেন। তার কাছ থেকেও খোঁজ নিতাম । সত্যি কথা বলতে এক এক করে ঢাকার সিনেমার নক্ষত্রেরা বিদায় নিচ্ছেন। এটা কষ্টের।

সবশেষে তিনি বলেন, জাভেদ ভাইকে হারিয়ে আমাদের চলচ্চিত্রের অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। তার অবদান অনেক। তার অবদান ভুলবার নয়। তার আত্মার শান্তি কামনা করছি। মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত নসিব করেন।

গতকাল বুধবার সকাল সোয়া ১১টায় উত্তরায় নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক জাভেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮২ বছর।

১৯৬৪ সালে উর্দু ছবি ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে অভিষেক হয় জাভেদের। তবে ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ সিনেমার পর দর্শকপ্রিয়তা বাড়তে থাকে তার।  

জাভেদ অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবনসঙ্গী’, ‘আবদুল্লাহ’ ইত্যাদি।

More like this

সৌদিতে ৩৬৫ দিনে ৩৫৬ জনের ফাঁসি

সৌদি কর্তৃপক্ষ গত বছর ৩৫৬ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে।...

৯০৯ দিন পর ক্যাম্প ন্যুতে ফেরা বার্সেলোনার গোল উৎসব

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৯০৯ দিন পর ক্যাম্প ন্যুতে ফিরল বার্সেলোনা। চেনা আঙিনায় আবার...

ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে বাসে আগুন

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল...