Homeবাণিজ্যদেশের প্রথম অরেঞ্জ বন্ডের অনুমোদন দিল বিএসইসি

দেশের প্রথম অরেঞ্জ বন্ডের অনুমোদন দিল বিএসইসি

Published on

Latest articles

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেভাবে বদলে দিতে পারে জনপদের অর্থনীতিও

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ভীমরুলি, আটঘর ও কুড়িয়ানা এলাকার ভাসমান পেয়ারা বাজার নিয়ে অসংখ্য সংবাদ...

অরিজিৎ সিংয়ের প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা নিয়ে নানা প্রশ্ন

বলিউড ও বাংলা সিনেমার গানে অনবদ্য নাম অরিজিৎ সিং। সাবলীল গায়কী আর জাদুকরী কণ্ঠ...

দেশের প্রথম ১৫৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ‘অরেঞ্জ বন্ড’ ইস্যু করার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নারী ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে সাজেদা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এই বন্ড বাজারে ছাড়া হবে।

ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই জিরো-কুপন বন্ডটি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বিবর্তনে একটি বড় মাইলফলক। এ ধরনের বন্ডে সাধারণত কোনো সুদ দেওয়া হয় না, তবে এটি ফেস ভ্যালু বা গায়ের দামের চেয়ে অনেক কম মূল্যে (ডিসকাউন্টে) বিক্রি করা হয়।

সাজেদা ফাউন্ডেশন এই বন্ড ইস্যু করার জন্য ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড ও সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট এক্সচেঞ্জের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে। 

অরেঞ্জ বন্ড মূলত একটি বিশেষায়িত বিনিয়োগ মাধ্যম, যা বিশেষভাবে নারী, কন্যাশিশু ও লিঙ্গীয় সংখ্যালঘুদের ক্ষমতায়নে এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অর্থ সংগ্রহের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই যুগান্তকারী বন্ডটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিশীল এবং পুঁজিবাজার-ভিত্তিক উন্নয়ন অর্থায়নের দিকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে। এটি বাংলাদেশে ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট (সামাজিক প্রভাব বিস্তারকারী বিনিয়োগ) ব্যবস্থার বিকাশে বড় ভূমিকা রাখবে।

ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড জানায়, বাংলাদেশের বন্ড বাজার দীর্ঘদিন ধরে সরকারি সিকিউরিটিজ এবং ব্যাংকগুলোর সাবঅর্ডিনেটেড ঋণের দখলে ছিল। এই লেনদেনের মাধ্যমে বাজারে প্রথমবার ইমপ্যাক্ট-লিঙ্কড বা সামাজিক প্রভাব সৃষ্টিকারী একটি নতুন ফিক্সড ইনকাম অ্যাসেট ক্লাস বা সম্পদ শ্রেণির সূচনা হলো।

এই বন্ডের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা একদিকে যেমন করমুক্ত আর্থিক মুনাফা পাবেন, অন্যদিকে নারী ও নারী নেতৃত্বাধীন ব্যবসায় সরাসরি সহায়তার মাধ্যমে পরিমাপযোগ্য সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

বন্ড থেকে উত্তোলিত অর্থের ৪৮ শতাংশ খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি খাতে, ৩২ শতাংশ নারী নেতৃত্বাধীন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ ৩৬টি জেলায় জলবায়ু-সহনশীল আবাসন তৈরিতে ব্যয় করা হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, এই বিনিয়োগের প্রভাব আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্বাধীন বার্ষিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। এতে স্বচ্ছতা বজায় রাখার পাশাপাশি নারী ক্ষমতায়নে এই বন্ডের প্রকৃত সুফল নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

More like this

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেভাবে বদলে দিতে পারে জনপদের অর্থনীতিও

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ভীমরুলি, আটঘর ও কুড়িয়ানা এলাকার ভাসমান পেয়ারা বাজার নিয়ে অসংখ্য সংবাদ...

অরিজিৎ সিংয়ের প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা নিয়ে নানা প্রশ্ন

বলিউড ও বাংলা সিনেমার গানে অনবদ্য নাম অরিজিৎ সিং। সাবলীল গায়কী আর জাদুকরী কণ্ঠ...

পশ্চিম তীরে দখল বাড়াল ইসরায়েল, ১৯ নতুন বসতির অনুমোদন

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ১৯টি নতুন বসতিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। বসতি সম্প্রসারণে...