Homeআন্তর্জাতিকভূমিকম্প: দুর্যোগের পর অন্তত ৭২ ঘণ্টা টিকে থাকতে জরুরি কিটে যা রাখবেন

ভূমিকম্প: দুর্যোগের পর অন্তত ৭২ ঘণ্টা টিকে থাকতে জরুরি কিটে যা রাখবেন

Published on

Latest articles

সালাউদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে বিসিবি

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ...

দেশে এখন দুটি পক্ষ, একটি সংস্কারের পক্ষে ও অন্যটি বিপক্ষে: হাসনাত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, এখন বাংলাদেশে দুইটা পক্ষ—একটা...

ভূমিকম্পসহ বড় ধরনের দুর্যোগের পর জরুরি পরিষেবা পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে। তাই অন্তত ৭২ ঘণ্টা থেকে প্রয়োজন হলে ২ সপ্তাহ পর্যন্ত নিজ উদ্যোগে টিকে থাকার জন্য ঘর, কর্মস্থল ও গাড়িতে জরুরি সরঞ্জামের কিট রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছে ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি (ফেমা)। 

ফেমা জানিয়েছে, দুর্যোগের পর প্রথম ৭২ ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় জরুরি সেবা ব্যহত হতে পারে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী ২ সপ্তাহ পর্যন্ত স্বনির্ভর থাকতে হতে পারে। তাই প্রত্যেকেরই একটি দুর্যোগ মোকাবিলা কিট প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন।

কী কী থাকবে দুর্যোগ মোকাবিলা কিটে?

খাদ্য ও পানীয়

প্রতিজনের জন্য প্রতিদিন অন্তত আধা গ্যালন বা প্রায় ২ লিটার পানি মজুত রাখার পরামর্শ দিয়েছে ফেমা। শিশু, স্তন্যদানকারী মা ও অসুস্থদের জন্য বাড়তি পানি প্রয়োজন হবে। পানি ফুটিয়ে বিশুদ্ধ করা সবচেয়ে নিরাপদ; তা না পারলে ব্লিচ বা পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ব্যবহার করা যায়।

সহজে নষ্ট হয় না—এমন খাবার অন্তত ৭২ ঘণ্টা থেকে ২ সপ্তাহের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। রেফ্রিজারেশন বা রান্নার প্রয়োজন নেই—এমন খাবারই এ ক্ষেত্রে উপযোগী। শিশু ও বিশেষ খাদ্যপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিদের জন্য বাড়তি খাবার রাখা জরুরি।

যোগাযোগ ও আলোর ব্যবস্থা

প্রতিটি বিছানার পাশে, কর্মস্থলে ও গাড়িতে টর্চলাইট ও অতিরিক্ত ব্যাটারি রাখুন। প্রয়োজন হলে ব্যাটারিচালিত বা হ্যান্ড-ক্র্যাঙ্ক রেডিও ব্যবহার করা যেতে পারে। ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়লে সংকেত দেওয়ার জন্য বাঁশি (হুইসেল) কাজে দেবে। প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ভয়েস কলের বদলে টেক্সট, ইমেইল বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা উত্তম। দূরবর্তী কোনো আত্মীয়কে জরুরি যোগাযোগের জন্য ঠিক করে রাখতে হবে।
প্রাথমিক চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম

বাড়ি ও গাড়িতে ফার্স্ট এইড কিট রাখা বাধ্যতামূলক। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকলেও সবচেয়ে ভালো হয়। প্রয়োজনীয় ওষুধ, অতিরিক্ত চশমা, কন্টাক্ট লেন্স সলিউশন, শিশুদের সামগ্রী এবং স্যানিটেশন আইটেম রাখুন। গ্যাস ও পানির ভালভ বন্ধ করতে অ্যাডজাস্টেবল রেঞ্চ কাজে লাগবে।

এটিএম বা ব্যাংক সিস্টেম অচল থাকলে ব্যবহারের জন্য কিছু নগদ অর্থ কিটে রাখতে হবে। বীমা পলিসি, পরিচয়পত্র ও আর্থিক নথির কপি নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত। ঠাণ্ডা আবহাওয়ার জন্য গরম পোশাক, কম্বল বা স্লিপিং ব্যাগ এবং ধ্বংসাবশেষ বা কাচের ওপর হাঁটার জন্য শক্ত জুতো রাখা জরুরি।
 

More like this

সালাউদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে বিসিবি

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ...

দেশে এখন দুটি পক্ষ, একটি সংস্কারের পক্ষে ও অন্যটি বিপক্ষে: হাসনাত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, এখন বাংলাদেশে দুইটা পক্ষ—একটা...

সাংবাদিকের বয়ানে মুজিবনগর সরকারের শপথ

একটি অনুষ্ঠান ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, কঠোর গোপনীয়তা। রোমাঞ্চকর উত্তেজনা ভারতীয় নিরাপত্তা কাঠামোয়। দিনটি ছিল...