Homeবাংলাদেশ‘ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না’

‘ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না’

Published on

Latest articles

হাঁসের ঢঙে হাঁটবে-খেলবে ছোট্ট রোবট ‘মাইক্রোডাক’

টেক জায়ান্ট এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংয়ের সঙ্গে ছোট ছোট রোবট হাঁসের খুনসুটির একটি...

বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময় ৩ বছর বাড়ানোর সুপারিশ জাতিসংঘ কমিটির

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ...

শতবর্ষী প্যাডেল স্টিমার পি এস মাহসুদ মেরামত করে প্রমোদতরী হিসেবে চালুর সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বাস জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না।’

আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টাকে প্রমোদতরী চালুর বিষয়ে অবহিত করেছেন নৌ উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের বৈচিত্র্যপূর্ণ নৌকার ডিজাইন পুরো পৃথিবীতে বিখ্যাত। অথচ এগুলো সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানে না। আমাদের এই ঐতিহ্যকে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। প্যাডেল স্টিমারসহ যত পুরোনো নৌযান আছে, সবকটিই সংরক্ষণে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) অধীনে রয়েছে শতবর্ষী প্যাডেল স্টিমার পি এস মাহসুদ।

প্যাডেল স্টিমারটি চালু হলে তা দেশে ও বিদেশের বহু পর্যটকের আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে আশা করছেন বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তারা। বিদেশি পর্যটকদের জন্য এতে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার, বাংলা গানের পরিবেশনাসহ নানান আকর্ষণ থাকবে।

কর্মকর্তারা জানান, সপ্তাহে ৭ দিনই প্রমোদতরীগুলো চলবে। ৫ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রার পাশাপাশি ২-৩ ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত যাত্রার ব্যবস্থাও থাকবে।

এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ঐতিহ্যবাহী এই প্যাডেল স্টিমারগুলোতে ইতিহাস সংরক্ষণ করতে হবে। যারা এতে যাত্রা করবে তারা যেন ইতিহাসটা জানতে পারে। কত বছর আগের স্টিমার, কী নাম, তখনকার দিনে কত আনা ভাড়া নিত, এর পেছনের গল্পটা কী—সেগুলো যেন সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়।’

নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, ‘পি এস মাহসুদ কেবল একটি নৌযান নয়, এটি বাংলাদেশের নদীজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক। আমরা চাই, নতুন প্রজন্ম কাছ থেকে দেখুক, এক সময় নদীপথই ছিল যোগাযোগ ও সংস্কৃতির প্রাণ।’

পি এস মাহসুদের পাশাপাশি পি এস অস্ট্রিচ ও পি এস লেপচাসহ অন্য পুরোনো স্টিমারগুলোও সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং চট্টগ্রামের কাপ্তাই লেকেও প্রমোদতরী হিসেবে একটি স্টিমার চালুর বিষয়ে ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

তরুণরা যেন বাংলাদেশের এই মূল্যবান ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে, সেজন্য বিশেষ দিনে শিক্ষার্থীদের জন্য এই প্রমোদতরীর বিশেষ যাত্রার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তারা জানান।

 

More like this

হাঁসের ঢঙে হাঁটবে-খেলবে ছোট্ট রোবট ‘মাইক্রোডাক’

টেক জায়ান্ট এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংয়ের সঙ্গে ছোট ছোট রোবট হাঁসের খুনসুটির একটি...

বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময় ৩ বছর বাড়ানোর সুপারিশ জাতিসংঘ কমিটির

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ...

এবারের ঈদের সিনেমার নায়িকা কারা

ঈদ আসতে খুব বেশি দেরি নেই। ঈদকে সামনে রেখে নতুন সিনেমা মুক্তির আলোচনা এখন...