Homeআন্তর্জাতিকআটলান্টিকে রুশ সাবমেরিনকে ‘তাড়া করবে’ যুক্তরাজ্য-নরওয়ে

আটলান্টিকে রুশ সাবমেরিনকে ‘তাড়া করবে’ যুক্তরাজ্য-নরওয়ে

Published on

Latest articles

বিভ্রাটের ঘণ্টাখানেক পর ফেসবুক-মেসেঞ্জার চালু

হঠাৎ করেই অচল হয়ে পড়ার প্রায় ঘণ্টাখানেক পর সক্রিয় হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও...

‘নেক্সটজবজ লার্নিং ল্যাব’-এর যাত্রা শুরু

করপোরেট খাতে নিয়োজিত জনবলের দক্ষতা ও নেতৃত্বকে আরও কার্যকর, ফলপ্রসূ ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে...

যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, নরওয়ের সঙ্গে তাদের একটি চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশের নৌবাহিনী একসঙ্গে উত্তর আটলান্টিকে ‘রুশ সাবমেরিন তাড়া করবে’। 

আজ বৃহস্পতিবার এএফপির খবরে এমনটি বলা হয়েছে।

নতুন এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো, সাগরতলে কেবল বা তারের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষিত রাখা। পশ্চিমা কর্মকর্তারা বলছেন, এসব অবকাঠামো রাশিয়ার হুমকির মুখে।

ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, গত দুই বছরে ব্রিটিশ জলসীমায় রুশ জাহাজের উপস্থিতি ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

নরওয়ে সেপ্টেম্বর মাসে ঘোষণা দেয়, তারা ব্রিটেন থেকে পাঁচটি টাইপ-২৬ ফ্রিগেট জাহাজ কিনবে, যাতে খরচ পড়বে প্রায় ১০ বিলিয়ন পাউন্ড (১৩ বিলিয়ন ডলার)।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোর উত্তর স্কটল্যান্ডের একটি রয়্যাল এয়ার ফোর্স ঘাঁটি সফরের সময়ে নতুন এই চুক্তির খবর এলো।

এর আওতায়, ব্রিটেন ও নরওয়ের নৌবাহিনী যে ১৩টি ফ্রিগেট জাহাজ ব্যবহার করবে, সেগুলো উভয় দেশ পারস্পরিকভাবে ব্যবহার করতে পারবে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও ব্রিটেনের মধ্যবর্তী জলসীমায় রাশিয়ান নৌ বাহিনীর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে এবং ‘গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো যেমন সাগরের নিচে থাকা কেবল ও পাইপলাইন সুরক্ষিত রাখবে, যা যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

স্টারমার বলছেন, এই কঠিন বৈশ্বিক অস্থিরতার সময়ে যখন আমাদের জলসীমায় আরও বেশি রুশ জাহাজ শনাক্ত করা হচ্ছে, তখন আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখতে হবে।

গত মাসে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জন হিলি রাশিয়াকে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, রাশিয়ার সামরিক জাহাজ ইয়ান্টার এ বছর দ্বিতীয়বার ব্রিটিশ জলসীমায় প্রবেশ করেছে।

তিনি জানান, এটি ব্রিটিশ বিমান বাহিনীর পাইলটদের ওপর লেজার ব্যবহার করেছিল, যা ‘খুবই বিপজ্জনক’ পদক্ষেপ।

ব্রিটেন ও ন্যাটোর চিন্তা, রাশিয়া সমুদ্রের তলদেশে থাকা গুরুত্বপূর্ণ কেবল ও পাইপলাইন ক্ষতি করতে পারে। গত কয়েক মাসে কিছু কেবল আসলেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদদের অভিযোগ, মস্কো পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে একটি হাইব্রিড যুদ্ধ পরিচালনা করছে। এই দেশগুলোর অধিকাংশই ২০২২ সালে রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকে ইউক্রেনকে সমর্থন করছে।
 

More like this

বিভ্রাটের ঘণ্টাখানেক পর ফেসবুক-মেসেঞ্জার চালু

হঠাৎ করেই অচল হয়ে পড়ার প্রায় ঘণ্টাখানেক পর সক্রিয় হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও...

‘নেক্সটজবজ লার্নিং ল্যাব’-এর যাত্রা শুরু

করপোরেট খাতে নিয়োজিত জনবলের দক্ষতা ও নেতৃত্বকে আরও কার্যকর, ফলপ্রসূ ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে...

এআই নির্ভর হয়ে পড়ছে কে-পপ!

দক্ষিণ কোরিয়ার কে-পপ ইন্ডাস্ট্রি এখন স্পষ্টভাবেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যুগে ঢুকে পড়েছে। ভার্চুয়াল আইডল,...