Homeপ্রযুক্তিএক বছরের মধ্যে ‘সার্বভৌম এআই’ চালু করবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

এক বছরের মধ্যে ‘সার্বভৌম এআই’ চালু করবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

Published on

Latest articles

‘শুধু ফাইনালের হার নয়, ইতিবাচক দিকগুলোও দেখা উচিত’

বহুদলীয় ট্রফির দৌড়ে আবারও নিজেদের হতাশ করল বাংলাদেশ। এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সের ফাইনালে গত...

আওয়ামী লীগকে আর বাংলার মাটিতে ফিরতে দেওয়া হবে না: আখতার

বাংলার মাটিতে আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই ফিরতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক...

বাংলাদেশ এক বছরের মধ্যে ‘সার্বভৌম এআই’ ব্যবস্থা চালু করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

গতকাল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এআই অ্যান্ড ইনোভেশন ডায়ালগে তিনি এ কথা জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নমেন্ট ইনোভেশন ইউনিট যৌথভাবে এই আলোচনার আয়োজন করে।

সার্বভৌম এআই ব্যবস্থা হলো কোনো দেশের নিজস্ব অবকাঠামো, তথ্য, জনবল এবং কম্পিউটিং শক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি ও পরিচালনার সক্ষমতা, যেখানে বিদেশি প্রযুক্তি বা মডেলের ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন পড়ে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আগামী ১২ মাসের মধ্যে বাংলাদেশের নিজস্ব সার্বভৌম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা থাকবে; এ জন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং চিপ ও মেমোরি ব্লক ইতোমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি জানান, শিগগিরই এটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে, যেন তারা বাংলায় ভবিষ্যতের এআই মডেল বা এলএলএম তৈরি এবং উদ্ভাবনী সেবা নিয়ে কাজ করতে পারে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ও গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের প্রধান জনাব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুফল কাজে লাগাতে সমগ্র সরকারব্যবস্থার সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তির কেন্দ্রীয় উপাদান হয়ে উঠবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার জাতীয় সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কার্যপ্রবাহ আরও সুশৃঙ্খল করা ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

সংলাপে ২৫টি আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বিদেশে বাংলাদেশের ৮৫টি কূটনৈতিক মিশন অনলাইনে যুক্ত হয়।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, উন্নয়ন সহযোগী এবং প্রযুক্তি শিল্প, স্টার্টআপ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী চেম্বার, শিক্ষাঙ্গন ও থিংক ট্যাংকের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। 

More like this

‘শুধু ফাইনালের হার নয়, ইতিবাচক দিকগুলোও দেখা উচিত’

বহুদলীয় ট্রফির দৌড়ে আবারও নিজেদের হতাশ করল বাংলাদেশ। এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সের ফাইনালে গত...

আওয়ামী লীগকে আর বাংলার মাটিতে ফিরতে দেওয়া হবে না: আখতার

বাংলার মাটিতে আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই ফিরতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক...

চা শিল্প পুনর্গঠনে চা শ্রমিকদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হতে হবে

একবার ভাবুন, একজন নারী সদ্য তোলা চা-পাতায় বোঝাই একটি ভারী ঝুঁড়ির ভারে নুয়ে পড়েছেন।...